ফাইবার অ্যাট হোমকে- ৫ লাখ টাকা দণ্ড
লাইসেন্স নীতিমালার তোয়াক্কা না করে প্রান্তিক গ্রাহ পর্যায়ে ইন্টারনেট সেবা দেওয়ার অপরাধে দণ্ডিত হলো আলোচিত এনটিটিএন প্রতিষ্ঠান ফাইবার অ্যাট হোম লিমিটেড। দশ কার্য দিবসের মধ্যে জরিমানার টাকা পরিশোধে বৃহস্পতিবার প্রতিষ্ঠানটিকে চিঠি দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি।
সংস্থার এনফোর্সমেন্ট অ্যান্ড ইন্সপেকশন বিভাগের উপ-পরিচালক এস এম গোলাম সরোয়ার স্বাক্ষরিত জরিমানা পত্রে এনটিটিএন লাইসেন্স এর শর্ত ভেঙ্গে অন্য আইএসপি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স, যন্ত্রপাতি, নক, জনবল এবং বিভিন্ন সার্ভার ব্যবহার করে অবৈধ সাইক্লোন প্রোজেক্ট এর মাধ্যমে ইন্টারনেট সেবা দেয়ায় এই জরিমানা করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
ফাইবার অ্যাট হোম লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালককের দুইটি ঠিকানা ছাড়াও চিঠির অনুলিপি চেয়ারম্যানের একান্ত সচিব, মহাপরিচালক ও পরিচাকলকদের দেয়া হয়েছে।
এর আগে গত মাসের ১৭ তারিখে এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির ব্যাখ্যা চেয়ে সাতদিন সময় দিয়েছিলো বিটিআরসি। সেই চিঠিতে বলা হয়েছিলো, গত ২৭ আগষ্ট যশোর শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনলোজি পার্কে সরেজমিন অনুসন্ধানে ফাইবার অ্যাট হোক লিমিটেড ও ফাইবার অ্যাট হোম গ্লোবাল লিমিটেড সাইক্লোন প্রজেক্টে ইন্টারনেট সেবা দিচ্ছে বলে প্রমাণ পেয়েছে। অনুসন্ধানে প্রতিয়মান হয় এই প্রোজেক্টে কমিশন হতে নির্ধারিত আইআইজি ট্যারিফ, এনটিটিএন ট্যারিফ এবং অবকাঠামো ভাগাভাগি গাইডলাইন অনুসরণ করা হচ্ছে না। এছাড়াও বিভিন্ন আইএসপি প্রতিষ্ঠান ও প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্সের নাম, নক ও র্যাক স্পেস, লোকবল এবং অ্যাক্টিভ শেয়ারিং এর মাধ্যমে লগ ও বিলিংয়ের মতো বিভিন্ন সার্ভার ব্যবহার করে অবৈধ ও লাইসেন্স বিহীন প্রতিষ্ঠানের নামে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণয় আইন ২০০১ ভেঙ্গে ব্যবসা করছে।
এর পর বিষয়টি নিয়ে ফাইবার অ্যাট হোমের বক্তব্য সঠিক না হওয়ায় বিটিআরসি তাদের জরিমানা করলো। তবে এই জরিমানাকে গুরু পাপে লঘু দণ্ড হিসেবে দেখছেন আইএসপিএবি ব্যবসায়ীরা। আইএসপিএবি নেতারা বলছেন, ২০১৯ সালের ২৫ আগষ্ট গো-ব্রডব্যান্ড প্যাকেজের অধীনে অবৈধভাবে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবসার দায়ে মোবাইল অপারেটর গ্রামীণফোন থেকে ৩০ কোটি টাকা জরিমানা নিতে বিটিআরসি-কে নির্দেশনা দিয়েছিলেন আদালত। সেই হিসাবে প্রতিষ্ঠানটি অল্পতেই পার পেয়ে যাচ্ছে।





